জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সাথে প্রজ্ঞাপনের আগেই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ভাড়া ৫৫ টাকা থেকে ৫ টাকা বাড়িয়ে ৬০ টাকা করে ভাড়া আদায়ে বাধা পেয়ে উৎসব ও বন্ধন পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা হতে উভয় পরিহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এর আগে দুপুরে ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা ৫৫ টাকার বেশী ভাড়া না নিতে বিভিন্ন কাউন্টারে গিয়ে আহবান করেন। এ নিয়ে চাষাঢ়ায় ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় উৎসব ও বন্ধন পরিবহনের কাউন্টারে থাকা লোকজনদের সঙ্গে ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে।
এর পরেই বিকেল ৪টা হতে উৎসব ও বন্ধন পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, সরকারের বর্তমান নির্ধারিত বর্ধিত ভাড়া হিসেবে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ভাড়া কোন ভাবেই ৫৫ টাকার বেশি হতে পারে না। তা মেনে নেয়া হবে না। আমরা আরটিসির চেয়ারম্যান হিসেবে জেলা প্রশাসককে দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া দাবি জানাই।
নেতৃবৃন্দ জানান, সরকারি কোনো প্রজ্ঞাপন ছাড়াই সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে সাধারণ যাত্রীদের বাস ভাড়া ৫৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০ টাকা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
নেতৃবৃন্দ আরও দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ৭ দিন শর্তহীন হাফ পাস নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ, পূর্বের ৫৫ টাকা ভাড়ার অর্ধেক হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২৮ টাকা বা সর্বোচ্চ ৩০ টাকা ভাড়া নিতে হবে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির খোঁড়া অজুহাতে মালিকপক্ষের এই ভাড়া বৃদ্ধি মেনে নেওয়া হবে না।






