নাগরিক সেবাকে আরও মানবিক ও দ্রুতগামী করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। শহরের এলজিডি ভবনের বিপরীত পাশে আধুনিক ‘লাশ ধোয়ার ঘর’ ও ‘অ্যাম্বুলেন্স রাখার স্থান’ নির্মাণ প্রকল্পের নির্ধারিত স্থান আজ পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সম্মানিত প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।এখানে সকল ধর্মের লাশ রাখা যাবে এবং বিনা খরচে এম্বুলেন্সের মাধ্যমে লাশ যার যার স্থানে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
পরিদর্শনকালে তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
জেলা পরিষদ জানায়, সাধারণ মানুষ যেন জরুরি মুহূর্তে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সেবা পান এবং মৃতদেহের শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া অত্যন্ত সম্মান ও পবিত্রতার সাথে সম্পন্ন করা যায় এই লক্ষ্যেই প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ ধরনের স্থাপনা নির্মিত হলে দুর্ভোগ কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পরিদর্শনের সময় অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, “মানুষের জীবনের শেষ যাত্রাটুকুও যেন মর্যাদার সাথে হয়, সেই চিন্তা থেকেই আমরা আধুনিক লাশ ধোয়ার ঘর নির্মাণ করছি। পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড থাকলে রোগী পরিবহন আরও সহজ হবে। জনকল্যাণই জেলা পরিষদের মূল লক্ষ্য। এই উন্নয়ন ও মানবিক অগ্রযাত্রা ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে।”
পরিদর্শনকালে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহসান উল্লাহ মজুমদার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকোশলী মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম,জেলা জাতীয়তাবাদী তাতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বলসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্মাণ কাজ শুরু হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে






