বন্দরে তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী মজুদকৃত মাদকদ্রব্য বাসা বাড়িতে না রাখার জের ধরে মাদক কারবারি দম্পতীর সন্ত্রাসী হামলায় প্রবাসী স্ত্রী নাজমা আক্তার (৩২) জখম হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বন্দর উপজেলার ফরাজিকান্দাস্থ বালিয়াগাও এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়রা আহতকে উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেছে।এ ঘটনায় আহত গৃহবধূ বাদী হয়ে ঘটনার ওই দিন রাতে কুখ্যাত মাদক সম্রাট সোহাগ ওরফে কানা সোহাগ ও তার স্ত্রী ঝর্না বেগমসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ্য করে আরো ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ ও আহত গৃহবধূ নাজমা আক্তারের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর স্বামী নবীর হোসেন দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসে জীবন যাপন করে আসছেন। স্বামী প্রবাস জীবন যাপনের পূর্বে বন্দর থানার ২০ নং ওয়ার্ডের মাহামুদনগর এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করা কালিন সময়ে ঝর্না বেগমের সাথে তার পরিচয় হয়। বন্দর থানার মাহামুদনগর এলাকার মৃত ফুলচাঁন মিয়ার ছেলে সোহাগ ওরফে কানা সোহাগ একজন কুখ্যাত ও তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বন্দর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। মাদক কারবারি সোহাগ ওরফে কানা সোহাগের মজুদকৃত মাদকদ্রব্য নাজমা আক্তারের বাসা বাড়িতে রাখার জন্য তার স্ত্রী ঝর্না বেগমকে দিয়ে টাকা প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল। তার কথা রাজি না হওয়ার কারনে ঝর্না বেগমের কুপরামর্শে মাদক ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে কানা সোহাগ তাকে নানা ভাবে হুমকি দামকি দিয়ে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতা গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় কানা সোহাগের মজুদকৃত মাদকদ্রব্য না রাখার জের ধরে সোহাগ ও তার স্ত্রী এবং শিউলি বেগমসহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন তার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্য বেদম ভাবে পিটিয়ে নিলাফুলা রক্তজমাট জখম করে শ্লীতাহানি করে ।
এ সময় ঝর্না বেগম নাজমা আক্তারের গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের স্বনের চেইন সাথে ২ আনা ওজনের একটি লকেট যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। শিউলি বেগম তাকে কিল-ঘুষি মেরে নিলাফুলা জখম করে প্রাননাশের হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে।





