বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল খাতে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ সম্প্রসারণ, পণ্য সংগ্রহের সুযোগ বৃদ্ধি এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ এবং দুই দেশের টেক্সটাইল প্রস্তুতকারক ও ক্রেতাদের মধ্যে যোগাযোগ আরও কার্যকর করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রস্তুতকারকদের জন্য পাকিস্তান থেকে বিভিন্ন ধরনের টেক্সটাইল কাঁচামাল ও উপকরণ সংগ্রহের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে সুতা, কাপড়, ডেনিম, রং, রাসায়নিকসহ বিভিন্ন পণ্যের কথা উঠে আসে।
এসব পণ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য, মানসম্মত পণ্য, নির্ভরযোগ্য সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নির্ধারিত সময়ে বাণিজ্যিক প্রতিশ্রুতি পূরণের বিষয়গুলোকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও কার্যকর করতে উভয় পক্ষ থেকে একজন করে সমন্বয়কারী বা ফোকাল পয়েন্ট মনোনয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত ব্যবসায়িক বৈঠক আয়োজন, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বিনিময়, কারখানা পরিদর্শন এবং যৌথ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা তৈরির প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে দুই দেশের শিল্পখাতের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতাকে বাস্তব ব্যবসায়িক সুযোগে রূপ দেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহের বিষয়টি উঠে আসে।
বিকেএমইএর পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সিনিয়র সহ-সভাপতি অমল পোদ্দার, সিআইপি এবং পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন মিয়া, প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন রিপন, রাজীব চৌধুরী ও মো. মনিরুজ্জামান।
পাকিস্তান হাইকমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক অ্যাটাশে জাইন আজিজ।







