সৌর বিদ্যুতে আলোকিত হচ্ছে পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দোতলা সড়ক,পরিদর্শন কালে খুব শীঘ্রই উদ্বোধন :মোহাম্মদ আবদুর রউফ
এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:
সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ মঙ্গলবার সকালে ‘পঞ্চবটি হতে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প’ সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনে আসলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ, প্রকল্প পরিচালক মো. ওহিদুজ্জামান, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক (মওই) আঞ্জুমান আরা, উপপরিচালক (মওই) মো. মাসুদ রানা শিকদার, প্রকল্পের সাইট অফিসের কর্মকর্তাগণ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।
প্রকল্পের অগ্রগতি ও সড়ক বাতিতে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন সেতু সচিব।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। সোলার সিস্টেমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে বিশেষ নির্দেশনা সরকার দিয়েছে, এই প্রকল্পে তার সফল বাস্তবায়ন দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
তিনি আরও বলেন, পঞ্চবটি হতে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পটি চালু হলে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
সেতু সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও অদম্য সদিচ্ছার কারণেই আজ মেগা প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের মুখ দেখছে। পরিবেশবান্ধব ভাবনার অংশ হিসেবে এই প্রকল্পের সমস্ত সড়ক বাতি সম্পূর্ণ সোলার প্যানেল বা সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে জ্বালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।খুব দ্রুতই প্রধানমন্ত্রী এই সেতুর উদ্বোধন করবেন।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ৯.০৬ কিলোমিটার উড়াল সড়কের দুই ধারে আধুনিক প্রযুক্তির মোট ৫৮৬টি সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়েছে, যা সৌরশক্তির সাহায্যে আলোকিত হবে।
পরিদর্শন শেষে সেতু সচিব প্রকল্পের সাথে জড়িত সবাইকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত ও সুচারুভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করে ২০২৬ সালের মধ্যেই জনসাধারণের চলাচলের জন্য সড়কটি উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেন তিনি।




