নারায়ণগঞ্জ ।
,

এনজিওর কিস্তির টাকা দিতে না পেরে একই পরিবারের তিনজনের বিষপান

২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। গ্রামের বাসিন্দা নূরজামাল হাওলাদার, তার স্ত্রী ও তাদের যমজ দুই সন্তান বসতঘরের দরজা বন্ধ করে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক পান করেন। কিছুক্ষণ পর বিষক্রিয়া শুরু হলে তাদের আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পরপরই তাদের পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। জানা গেছে, বিষপান করা যমজ দুই সন্তানের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাত্র ৫০০ টাকার একটি এনজিওর কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে ওই গৃহবধূ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাওনাদার বা এনজিওকর্মীদের চাপ ও অপমানের আশঙ্কা থেকেই তিনি স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে একসঙ্গে বিষপানের মতো মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত নেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এনজিওগুলোর কিস্তি আদায়ের কঠোর পদ্ধতির সমালোচনা করে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, “ঋণ দিয়ে সহায়তার নামে এই কিস্তি ব্যবস্থা সাধারণ দরিদ্র মানুষের জন্য একটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >