জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামীর আড়াইহাজার থানা কমিটির সেক্রেটারী মোস্তফা কাসেমীর বসত বাড়ীতে হামলা ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ উঠেছে কথিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
গতকাল রাতে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয় ছাত্রদলের কথিত নেতা আশরাফুল ও ইয়াসিন আরাফাত নামে দুজনের নাম জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, তারা ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলো। গত ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর আশরাফুল ও ইয়াসিন আরাফাত বিএনপির রাজনীতির সাথে মিশে যান। তারা স্থানীয় এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের অনুসারী হয়ে উঠেন।
জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হামলা চালায় অভিযুক্তরা। তারা বাড়ীর দেয়াল ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয় এবং আসবাব পত্র ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার সেখানে ছুটে যান জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের নেতা মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
এসময় মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান এই হামলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রথমে খবর পেলাম যে, বিএনপির অঙ্গ-সংগঠন ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই কাজ করেছে। পরে এখানে এসে দেখলাম যে, তারা অতীতে আওয়ামী লীগ করতো। এখন ছাত্রদলের নেতা হয়েছে। হামলাকারী আশরাফুল ও ইয়াসিন আরাফাত নাকি এখন আজাদ সাহেবের অনুসারী। আসলে এই এলাকার এমপি বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম আজাদ সাহেবের সাথে আমাদের সু-সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সুসম্পর্ক রাখার নমুনা যদি এমন হয়, তাহলে আমি সতর্ক করে বলে দিতে চাই, নারায়ণগঞ্জের সমস্ত আলেম ওলামাদের নিয়ে এই ঘটনার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি বলেন, কোনো সমস্যা হলে এর জন্য সমাধানও আছে। কিন্তু এখানে যা ঘটানো হয়েছে, এই দৃশ্য কোনো সভ্য দেশের সমাধান হতে পারে না। দেশে আইন আছে, বিচার আছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই ঘটনার বিচার করতে হবে এবং হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।




