চট্টগ্রাম নগরীতে ভারী বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। সোমবার (১৭ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষণে সকাল ৮টার পর কিছুটা কমলেও নগরীর আগ্রাবাদ, মুরাদপুর, ষোলশহর, বাকলিয়াসহ বেশ কিছু নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।
এদিন সকালে অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা বের হয়ে পড়েন দুর্ভোগে। কোনো কোনো জায়গায় হাঁটু পানি উঠে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। এ সুযোগে রিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন নগরবাসী। কিছু স্থানে বৃষ্টির পানি ঢুকে গেছে দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও।
ভারী বৃষ্টির কারণে নগরীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও ধীরগতিতে চলছে যানবাহন, আবার কোথাও পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা ফকরুল আলম বলেন, ‘সকালে অফিসে যাওয়ার সময় রাস্তায় অনেক পানি পেয়েছি। গাড়িও কম। ফলে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে অনেক সময় লাগছে। বৃষ্টির সঙ্গে যানবাহনের সংকট থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।’
এদিকে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে নগরীতে গণপরিবহনের সংখ্যাও কম দেখা গেছে। গ্যাসের অভাবে অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা সড়কে নামেনি। ফলে জলাবদ্ধতার সঙ্গে যানবাহন সংকট যুক্ত হয়ে মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
নগরীর পাশাপাশি আশপাশের উপজেলাগুলোতেও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এতে বোয়ালখালীর বিভিন্ন এলাকাতেও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
বোয়ালখালীর চরখিজিরপুর-সাতগড়িয়াপাড়া এলাকায় পুরো বর্ষাজুড়েই জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সড়কে পানি জমে থাকায় স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে।
নগরবাসীর অভিযোগ, সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই নগরের বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যায়। এবারও রাতভর বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ চান তারা।





