বন্দর প্রতিনিধি: নারায়নগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের শ্রীরামপুরে খালের উপর সেতুটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে। ঝুকিপূর্ণ সেতু দিয়ে প্রতিদিন ভারী ভারী যানবাহন চলাচল করছে। সেতুটি যেকোন সময় ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে সরেজমিনে দেখা মিলেছে। এদিকে বন্দর উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ মিঞা মুঠোফোনে জানান, ‘আমরা এ ব্রিজটির দৈন্যদশার বিষয়ে অবগত। কিছু জটিলতার কারণে কাজটি হয়নি।
সেতুটির নির্মাণ কাজ দ্রুত করার জন্য নারায়ণগঞ্জ -৫ আসনের সাংসদ এড আবুল কালাম ও তার রাজনৈতিক সচিব মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এবং সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
যানবাহন ও বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এ সেতু দিয়ে চলাচল করছেন প্রতিদিন। সেতুটি বহুবছর আগে নির্মিত এবং বিগত কয়েক বছর ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন।
বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে যাত্রীরা এ পথে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। কয়েক বছর আগেই সেতুটির মাঝের রাস্তায় ফাটল ধরেছে এবং পলেস্তারা খুলে খালের পানিতে পড়ে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। সেতুটির অধিকাংশ হাতল যানবাহনের ধাক্কায় ভেঙ্গে গেছে ও পলেস্তারা খসে গেছে । কোথাও রড বের হয়ে আছে, আবার কোথাও নেই রডের অস্তিত্ব। এ যেন যাত্রীদের এক মরণফাঁদ।
যাত্রী আর চালকরা বলছেন দ্রুত সেতুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নিলে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ৩ বছর আগে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরুর কথা ছিলো এবং খালের উপর ডাইভারশন রোড বানানোর জন্য কিছু কাজ করে আচমকা কাজটি বন্ধ হয়ে যায়।
রহিম নামের এক যাত্রী বলেন, ‘আমরা ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করছি। কিন্তু এটা তো আমাদের কাম্য নয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ যেন দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণ করা হয়’।
সিরাজ নামের এক যাত্রী বলেন, ‘ব্রিজের মাঝে গর্তের সৃষ্টি হয়ে পলেস্তারা খুলে পড়েছে, সেই গর্ত স্টিলের প্লেট দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। বুঝাই যাচ্ছে সেতুটি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই নতুন সেতু দ্রুত নির্মাণ করা হউক’।
এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ মিঞা মুঠোফোনে জানান, ‘আমরা এ ব্রিজটির দৈন্যদশার বিষয়ে অবগত। ডাইভারশন রোড বানানো নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় ঠিকাদার কাজটি করতে অপারগতা প্রকাশ করায় নির্মাণ কাজটি আটকে যায়। আমরা পুনরায় প্রকল্প প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ব্রিজের নির্মাণ কাজটি শুরু করা যাবে’।





