তেহরান, ৫ জুলাই ২০২৬: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৯০ লক্ষেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে। এটি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম জানাজা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। খামেনি গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন। প্রায় চার মাস পর জুলাইয়ে শুরু হওয়া এই সাত দিনব্যাপী অনুষ্ঠান ইরান ও ইরাকে বিস্তৃত।
শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে লক্ষ লক্ষ মানুষ খামেনির কফিনের সামনে সমবেত হয়। রাস্তায় রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছে। অনেকে পায়ে হেঁটে, গাড়ি বা ট্রাকে করে দূর-দূরান্ত থেকে এসেছেন। ইরানি কর্তৃপক্ষ পরিবহন, খাবার ও থাকার ব্যবস্থা করেছে। শোকার্ত জনতা “মৃত্যু আমেরিকা”, “মৃত্যু ইসরায়েল” স্লোগান দিয়ে প্রতিশোধের আহ্বান জানিয়েছে। বিদেশি প্রতিনিধি দলসহ ১০০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
এখন কফিন ইরানের বিভিন্ন শিয়া শহর ঘুরে ইরাকে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রধান শিয়া তীর্থস্থান নজফ ও কারবালায় বিশেষ অনুষ্ঠান হবে। এরপর মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারের কাছে দাফন করা হবে। এই পথচলা শিয়া ইসলামের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় তাৎপর্যকে তুলে ধরবে এবং ইরান-ইরাক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। আয়োজকরা বলছেন, এটি ১৯৮৯ সালের আয়াতুল্লাহ খোমেনির জানাজাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।








