নারায়ণগঞ্জ । বৃহস্পতিবার
১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জানালা থেকে দেখা যায়, গরম কড়াই চে’পে ধরা হচ্ছে এক কিশোরীর মুখ ও শরীরে।

ঘড়ির কাটায় তখন দুপুর ১টা। জানালা থেকে দেখা যায়, গরম কড়াই চে’পে ধরা হচ্ছে এক কিশোরীর মুখ ও শরীরে। যন্ত্রণায় মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে সে। উঠ-বস করানো হচ্ছে কা’ন ধরেও

বা’ধা উপেক্ষা করে বাসাটিতে প্রবেশ করতে সাক্ষী হতে হয় ভীষণ অমানবিক ঘটনার। হাত থেকে তরকারি পড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মীর উপর এভাবেই নি/র্যা/ত/ন চালিয়েছেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক পপি মিত্র।

খুলনার সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্ক সংলগ্ন একটি বহুতল বাসায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী প্রায়ই মেয়েটির উপর নি*র্যা*তন চালাতেন। আজ ও চালিয়েছেন পা’শ’বি’ক নি*র্যা*তন।

এ সময় ভুক্তভোগী কিশোরী মিলনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আ’ঘা’ত ও নি*র্যা*ত/নে’র চিহ্ন দেখা যায়। এমন ঘটনায় ক্ষো’ভ প্রকাশ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শা*স্তি’র দাবি জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পুলিশ দম্পতি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি, বরং ক্যামেরা বন্ধ করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিশোরীটিকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তদের হেফাজতে নেওয়া হয়নি।

পুলিশকে প্রশ্ন করা হয় এদেরকে আপনারা ধরছেন না কেন? পুলিশ উত্তরে বলেন আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব ইনশাআল্লাহ। আগে দেখি ভিকটিমের কি অবস্থা। সে তো অসুস্থ, আগে চিকিৎসার ব্যবস্থাটা আমরা আগে করি।

এটা তো আপনারা নিশ্চিত হয়েছেন যে তাকে মা*র*ধর করা হয়েছে। আপনারা নিজেরাও দেখছেন। আমরা ডাক্তার দেখার পরে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

পুলিশ বিধায় কি অভিযুক্তকে নিচ্ছেন না?
অবশ্যই নেওয়া হবে। সে তো আপনাদের সাথে ঘোরাঘুরি করছে। কেন তাকে গ্রে/প্তা/র করছেন না? ভুক্তভোগীকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন এখন? তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি চিকিৎসার জন্য

জানা গেছে, ভুক্তভোগী মেয়েটি এতিম। ছোটবেলা থেকেই ওই পরিবারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ >

এই বিভাগের আরও সংবাদ >