নারায়ণগঞ্জ । শনিবার
১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্দর কেওঢালা মহাসড়কে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা দিয়ে অতিবাহিত হওয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কেওঢালা বাসস্টেশন এলাকায় ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কেওঢালা বাসস্টেশন এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সচেতন নাগরিকরা।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আশেপাশে রয়েছে হিন্দুদের তীর্থস্থান লাঙ্গলবন্দ স্নানঘাট ও বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রমসহ বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও হাট-বাজার। পাশাপাশি মাত্র ১শ গজের মধ্যে রয়েছে ১৫ থেকে ২০টি হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ২৫ হাজার জনসাধারণ ও শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার করছেন।

স্থানীয় মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন বলেন, এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ পারাপার হন। দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো পথচারী দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যুবরণ করছেন। তাছাড়া এখান দিয়ে রাস্তা পারাপারের ঝুঁকি ভয়াবহ। তাই কেওঢালা বাসস্টেশনে একটি ফুটওভার ব্রিজ এখন সময়ের দাবি।

পুকুনিয়া বাড়ি জামে মসজিদের খতিব মুফতি আল-আমিন বলেন, এই মহাসড়ক পারাপার করতে গিয়ে আমাদের অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাই এখানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসবেন বলে আশা করছি।

আমানউল্লাহ আমান বলেন, এমন কোনো দিন, সপ্তাহ বা মাস নেই, যেদিন এই সড়কে পথচারী হতাহতের ঘটনা ঘটে না। তাই মহাসড়কের দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অতি দ্রুত ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন বিএনপি নেতা মো. মহসিন প্রধান, জাহিদ ভূঁইয়া, আয়নাল হক, মোহসিন কানন, মো. শামিম মিয়া, মোক্তার হোসেন, ডা. শাহ জালাল, মো. উজ্জ্বল, মো. হানিফ কন্ট্রাক্টর, আমানউল্লাহ আমান, মাজেদা মেম্বার, আবুল হাসনাত আবুল, সাদেক হোসেন ভূঁইয়া, মো. আল-আমিন, হারুন অর রশিদ, মো. সানাউল্লাহ মিয়া, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ >

এই বিভাগের আরও সংবাদ >